STUDENTS PREFERRED INSTITUTION
- Pages
- STUDENTS PREFERRED INSTITUTION
| প্রতিষ্ঠানের বৈশিষ্ট্য সমূহ:- |
| * বাংলা মাধ্যম ( মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সিলেবাসে সমৃদ্ধ ) | ||||||||
| * আধুনিক ও ইসলামী শিক্ষার মেলবন্ধনে সহজ ও সরল পাঠ্যক্রমের মাধ্যমে পাঠদান। | ||||||||
| * বিষয় ভিত্তিক সনদ ও প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত শিক্ষকমণ্ডলী। | ||||||||
| * আধুনিক সমৃদ্ধ বিজ্ঞানাগার, পাঠাগার ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রI | ||||||||
| * টিউটোরিয়াল ও সেমিস্টার পদ্ধতিতে পরীক্ষা। | ||||||||
| * দুর্বল ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিশেষ পদ্ধতির অবলম্বন। | ||||||||
| * দুঃস্থ ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিশেষ সুযোগ-সুবিধা ও বৃত্তি প্রদান। | ||||||||
| * অনাবাসিক ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য এলাকা-ভিত্তিক পরিবহণ এর ব্যবস্থা। | ||||||||
| * সিসি ক্যামেরা দ্বারা সম্পূর্ণ ক্যাম্পাস নিয়ন্ত্রিত। | ||||||||
| * ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য পৃথক আউটডোর ইনডোর গেমস এর ব্যবস্থা I | ||||||||
| * ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য স্কুলের নিজস্ব মসজিদ ( ছাত্র-ছাত্রী বিভাজক বিশিষ্ট) I | ||||||||
| * আবাসিক ( বালক বিভাগ ) - মনোরম পরিবেশ, থাকা ও খাওয়ার সুব্যবস্থা, ২৪ ঘন্টা ইলেকট্রিসিটি সার্ভিস ও এয়ারকন্ডিশনার এর ব্যবস্থা। |
| * ছাত্র-ছাত্রীদের বিশেষ উন্নতি সাধনের জন্য ফিউচার জেনারেশন অ্যাকাডেমি'র 'ডে-কেয়ার' বিভাগ শিক্ষা ব্যবস্থাকে করে চলেছে মজবুত ও শক্তিশালী। |
দ্বীনি শিক্ষার গুরুত্ব দ্বীনি শিক্ষা, ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি মানুষের চিন্তা-চেতনা, আচার-আচরণ এবং জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়ক এবং পরকালের প্রস্তুতিতে সাহায্য করে। দ্বীনি শিক্ষা মানুষকে ভালো ও মন্দ কাজের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে সাহায্য করে, যা একটি সুস্থ সমাজ গঠনে সহায়ক। পরকালের প্রস্তুতি: দ্বীনি শিক্ষা, মানুষকে পরকালের জন্য প্রস্তুত করে, যা পার্থিব জীবনের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ। এটি মানুষকে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে উৎসাহিত করে এবং পরকালে ভালো ফল লাভের পথ দেখায়। নৈতিকতা ও চরিত্র গঠন: দ্বীনি শিক্ষা, মানুষকে নৈতিকতা, সততা, দয়া, সহিষ্ণুতা, এবং বিনয় সহ বিভিন্ন ভালো গুণাবলী অর্জনে সাহায্য করে। এটি মানুষের চরিত্রকে উন্নত করে এবং সমাজকে ভালো মানুষ তৈরি করতে সাহায্য করে। ধর্মীয় জ্ঞান বৃদ্ধি: দ্বীনি শিক্ষা, মানুষকে ধর্মীয় জ্ঞান অর্জন করতে সাহায্য করে, যা তাকে তার ধর্মীয় কর্তব্য পালন করতে এবং ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলতে উৎসাহিত করে। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষা: দ্বীনি শিক্ষা, মানুষকে তার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সম্পর্কে সচেতন করে এবং তা রক্ষা করতে উৎসাহিত করে। এটি মানুষকে শরিয়তের শিক্ষা ও মূল্যবোধ সম্পর্কে জানতে এবং তা অনুসরণ করতে সাহায্য করে। সামাজিক উন্নয়ন: দ্বীনি শিক্ষা, মানুষকে সামাজিক সমস্যাগুলো বুঝতে এবং তা সমাধানে উৎসাহিত করে। এটি মানুষকে সামাজিক কাজে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করে এবং একটি সুস্থ সমাজ গঠনে সাহায্য করে। জীবনকে অর্থপূর্ণ করা: দ্বীনি শিক্ষা, মানুষকে তার জীবনকে অর্থপূর্ণ করতে এবং জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করতে সাহায্য করে। এটি মানুষকে জীবনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে সচেতন করে এবং তাকে একটি সঠিক পথে চলতে সাহায্য করে।
ইসলামী অনুশাসন: দ্বীনি শিক্ষা, মানুষকে ইসলামী অনুশাসন মেনে চলতে এবং আল্লাহ ও তার রাসুল (সাঃ) এর অনুসারী হতে উৎসাহিত করে। এটি মানুষকে ভালো কাজের প্রতি উৎসাহিত করে এবং খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকতে সাহায্য করে। দ্বীনি শিক্ষা, শুধু ধর্মীয় জ্ঞান অর্জনের মাধ্যম নয়, এটি একটি সামগ্রিক শিক্ষা যা মানুষকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে এবং তাকে একটি সুস্থ সমাজ গঠনে সাহায্য করে। |